সরকারি নথি ও ইতিহাস: শুরু থেকেই ময়নামতি রেজিমেন্টের অধীনে সিলেট ও বৃহত্তর কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চল।
কুমিল্লা: বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর (বিএনসিসি)-র ময়নামতি রেজিমেন্টের ভৌগোলিক সরকারি অধ্যাদেশ ও প্রতিষ্ঠাকালীন নথি অনুযায়ী সিলেট বিভাগের ৪টি জেলা এবং চট্টগ্রাম বিভাগের ৬টি জেলা শুরু থেকেই এই রেজিমেন্টের প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক আওতাভুক্ত।
১৯৭৯ সালের গঠনপ্রক্রিয়া এবং ১৯৮৫ সালের 'বাংলাদেশ ন্যাশনাল ক্যাডেট কোর অর্ডিন্যান্স' (অর্ডিন্যান্স নং ৩৪)-এর পর থেকে বিএনসিসির প্রশাসনিক কাঠামো ৫টি প্রধান রেজিমেন্টে বিভক্ত করা হয়। এর মধ্যে পূর্বাঞ্চলীয় পুরো সার্কেল পরিচালনার দায়িত্ব দেওয়া হয় ‘ময়নামতি রেজিমেন্ট’—কে, যার সদর দপ্তর কুমিল্লায় অবস্থিত।
সরকারি নথিতে ময়নামতি রেজিমেন্টের স্থায়ী এখতিয়ার
বিএনসিসি সদর দপ্তরের প্রাতিষ্ঠানিক তথ্য ও সরকারি গেজেট বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, ময়নামতি রেজিমেন্টের অধীনে শুরু থেকেই সর্বমোট ১০টি প্রশাসনিক জেলা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:
সিলেট বিভাগ (সম্পূর্ণ ৪টি জেলা): সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার ও হবিগঞ্জ।
চট্টগ্রাম বিভাগ (বৃহত্তর কুমিল্লা ও নোয়াখালী অঞ্চলের ৬টি জেলা): কুমিল্লা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, চাঁদপুর, নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর।
দীর্ঘদিনের প্রাতিষ্ঠানিক ইতিহাস
ঐতিহাসিক ও প্রশাসনিক নথিপত্র অনুযায়ী, দেশের পূর্বাঞ্চলীয় জেলাগুলোতে ক্যাডেটদের সামরিক প্রশিক্ষণ, নেতৃত্ব বিকাশ এবং দুর্যোগকালীন সেবা নিশ্চিত করতে ময়নামতি রেজিমেন্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। সিলেট অঞ্চলের রেজিমেন্টাল হেডকোয়ার্টার না থাকায়, ক্যাডেট কোরের সূচনালগ্ন থেকেই সিলেট বিভাগের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিএনসিসি উইং ময়নামতি রেজিমেন্টের সরাসরি অধীনে পরিচালিত হয়ে আসছে।
ময়নামতি রেজিমেন্টের এই ভৌগোলিক সীমারেখা নতুন কোনো পুনর্গঠন নয়; বরং প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এই ১০টি জেলায় সাফল্যের সঙ্গে নিজেদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে রেজিমেন্টটি।
#BNCC #ময়নামতি_রেজিমেন্ট #ময়নামতি_বিএনসিসি
মতামত দিন