বাঁক খালী রেঞ্জে বনভূমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণের অভিযোগ পর্ব -১
কক্সবাজার রামু উত্তর বন বিভাগের আওতাধীন বাঁকখালী রেঞ্জের উখিয়ার ঘুনার কেনছুর ঘুনা মেইন সড়কের পশ্চিম পাশে বনভূমি জবরদখল করে অবৈধ দালান নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে স্থাগনীয় সৈয়দ নূরের পুত্র হারুনুর রশিদ এবং তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাঁকখালী সদর বিটের আওতাধীন এলাকায় বন বিভাগের জমি জবরদখল করে সেখানে দালান নির্মাণের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন হারুনুর রশিদ এর স্ত্রী ।
বনভূমিতে প্রকাশ্যে স্থাপনা নির্মাণ চললেও সংশ্লিষ্ট বন কর্মকর্তাদের পক্ষ থেকে কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, ব্লিজার পরিচয়ে মোহাম্মদ ইছেলাম প্রকাশ (হইছে লাইমা) নামের ওই ব্যক্তির মধ্য দিয়ে প্রতি ঘর নির্মাণের জন্য ৫০,০০০ হাজার টাকা করে ঘুষ নেওয়া হচ্ছে। কথিত এ ইছেলাম ব্লিজারের মধ্য দিয়ে। রিজাবের অনেক জায়গা জমি গোপনে বিক্রি করা হচ্ছে,এমন অভিযোগ এই অপরাধীদের বিরুদ্ধে। বাঁকখালী রেঞ্জের আওতাধীন কেয়াজির বিল নামক স্থানে রিজার্ভের অনেক বনভূমি রয়েছে। সেই বনভূমি ব্লিজারের মধ্য দিয়ে ইতিমধ্যে গোপনে বিক্রি করা হয়েছে, যা শিয়াল মামার পাঠশালার গল্প কেউ হার মানিয়েছে। এই বিষয়ে ওই এলাকার ইমরান মেম্বার এর বক্তব্য নেওয়া হলে তিনি ওই ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছে।
বন বিভাগের জায়গা দখল ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে ওই এলাকায় সক্রিয়। তাদের মাধ্যমে বনভূমি হাতবদল হয়ে দখলদারদের কাছে যাচ্ছে এবং পরবর্তীতে সেখানে বসতবাড়ি ও বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণ করা হচ্ছে।
এদিকে, বনভূমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণের বিষয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের প্রশ্ন, বন বিভাগের জায়গায় প্রকাশ্যে নির্মাণকাজ চললেও সংশ্লিষ্টদের পক্ষ থেকে কেন কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে না।
এ বিষয়ে, বাঁকখালী রেঞ্জ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান
বলেন, “বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। বন বিভাগের জমিতে অবৈধ স্থাপনা নির্মাণ হয়ে থাকলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
এ বিষয়ে, উত্তর বন বিভাগের সহকারী বন সংরক্ষক, শীতলপালে বক্তব্যের জন্য ফোন করা হলে,তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
এই বিষয়,উত্তর বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মারুফ হোসেনের whatsapp নম্বরে বক্তব্যের জন্য খুদেবার্তা পাঠানো হয়েছে।
মতামত দিন